২০২৬ বিশ্বকাপে নতুন যেসব প্রযুক্তি প্রথমবারের মতো দেখা যাচ্ছে

সাদিক মোহাম্মদ আলম
সাদিক মোহাম্মদ আলম
প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১১:০০পরিবর্তন করতে ক্লিক করুন
২০২৬ বিশ্বকাপে নতুন যেসব প্রযুক্তি প্রথমবারের মতো দেখা যাচ্ছে

ছবি: ফিফার ফেসবুক পেজ

শেয়ার করুন:

বিশ্বকাপে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), হাই-টেক ক্যামেরা, রেফারির বডি ক্যাম এবং অত্যাধুনিক সেন্সরযুক্ত বলের যে যুগান্তকারী ব্যবহার আমরা দেখতে পাচ্ছি, তা ফুটবলের চিরাচরিত অভিজ্ঞতাকে সম্পূর্ণ বদলে দিচ্ছে।

 

ফিফার ফুটবল বিশ্বকাপকে দি গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। বিপুল বাজেটের এই বিশ্বকাপ আয়োজনে এবার ২০২৬ সালে যে অভূতপূর্ব প্রযুক্তির সমাহার দেখা যাচ্ছে তা আগের যেকোন বিশ্বকাপ থেকে এগিয়ে। ফুটবলকে এর ফ্যানরা ডাকে দ্য বিউটিফুল গেম, সেই বিউটিকে আরও নিখুঁত এবং গতিশীল করতে প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডায় অনুষ্ঠিত ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ কেবল ৪৮টি দলের অংশগ্রহণে সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপই নয়; বরং এটি ক্রীড়া প্রযুক্তির ইতিহাসে এক বিশাল ল্যাবরেটরি বা পরীক্ষাগার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

 

এবারের বিশ্বকাপে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), হাই-টেক ক্যামেরা, রেফারির বডি ক্যাম এবং অত্যাধুনিক সেন্সরযুক্ত বলের যে যুগান্তকারী ব্যবহার আমরা দেখতে পাচ্ছি, তা ফুটবলের চিরাচরিত অভিজ্ঞতাকে সম্পূর্ণ বদলে দিচ্ছে। চলুন বিস্তারিত জেনে নিই ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ব্যবহৃত নতুন প্রযুক্তির সমাহার সম্পর্কে।

 

স্মার্ট কানেক্টেড বল

 

বিশ্বকাপের অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ হলো এর অফিশিয়াল বল। ২০২৬ বিশ্বকাপে ব্যবহৃত বলটি (যাকে 'ট্রাইওন্ডা' বা 'অ্যাডিডাস এল মার' নামে ডাকা হচ্ছে) সাধারণ কোনো ফুটবল নয়; এটি আক্ষরিক অর্থেই একটি "স্মার্ট ডিভাইস"।

 

●     ইনার সেন্সর ও আইএমইউ: এই বলের ঠিক কেন্দ্রে একটি ১৪ গ্রামের অত্যাধুনিক চিপ বা হাই-টেক সেন্সর বসানো রয়েছে। এই সেন্সরটি ৫০০ হার্জ ক্ষমতায় কাজ করে। এর মানে হলো, এটি প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ বার বলের গতিবিধি, অবস্থান এবং আঘাতের ডেটা সংগ্রহ করে ট্র্যাকিং সিস্টেমে পাঠায়।

●     স্পর্শের নিখুঁত মুহূর্ত নির্ণয়: অফসাইড বা হ্যান্ডবলের মতো সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কঠিন বিষয় হলো— ঠিক কোন মাইক্রোসেকেন্ডে খেলোয়াড় বল স্পর্শ করেছেন, তা নির্ধারণ করা। এই বলের সেন্সরটি এতটাই সংবেদনশীল যে, বুটের সামান্য ছোঁয়াও এটি তৎক্ষণাৎ শনাক্ত করতে পারে।

●     ব্যাটারি ও স্থায়িত্ব: অবাক করা বিষয় হলো, এই সেন্সরটি মাত্র ৯০ মিনিট চার্জ দিলে টানা ৬ ঘণ্টা লাইভ ট্র্যাকিং ডেটা পাঠাতে সক্ষম।

 

রেফারির চোখে ম্যাচ: এআই-চালিত 'রেফ ক্যাম'

 

ফুটবল মাঠে রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। দর্শকদের প্রায়শই মনে হয়, "রেফারি কি এই ফাউলটি দেখতে পাননি?" এই অভিযোগের চিরস্থায়ী সমাধান দিতে এবং দর্শকদের মাঠে রেফারির দৃষ্টিভঙ্গি (পয়েন্ট অব ভিউ) বোঝাতে এই প্রথম বিশ্বকাপের ১০৪টি ম্যাচেই রেফারির সঙ্গে যুক্ত থাকছে বডি ক্যাম।

 

●     লেনোভো এআই স্ট্যাবিলাইজেশন: দৌড়ানোর সময় সাধারণ ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও কেঁপে যায় এবং ঝাপসা হয়ে যায়। কিন্তু এই রেফ ক্যামগুলোতে লেনোভোর তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন স্ট্যাবিলাইজেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে রেফারি যখন তীব্র বেগে দৌড়াবেন, তখনও ভিডিও থাকবে স্থির এবং মোশন ব্লার মুক্ত।

 

●     স্বচ্ছতা ও নতুন অভিজ্ঞতা: এর মাধ্যমে মাঠে ঘটে চলা সব ঘটনা রেফারির দৃষ্টিকোণ থেকে সরাসরি রেকর্ড হতে থাকবে। ব্রডকাস্টিংয়ের সময় দর্শকরা রেফারির চোখ দিয়ে মাঠের পরিস্থিতি দেখার এক রোমাঞ্চকর সুযোগ পাচ্ছেন, যা ফুটবলে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

 

এআই ট্র্যাকিং এবং ডিজিটাল থ্রি-ডি অবতার

 

২০২২ কাতার বিশ্বকাপে সেমি-অটোমেটেড অফসাইড প্রযুক্তি (এসএওটি) প্রথম পরিচয় পেলেও, ২০২৬ বিশ্বকাপে এটি এক কল্পনাতীত পর্যায়ে পৌঁছেছে।

●     ১,২৪৮ জন খেলোয়াড়ের ডিজিটাল স্ক্যানিং: এবারের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী ৪৮টি দলের মোট ১,২৪৮ জন খেলোয়াড়কে টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই ডিজিটালি স্ক্যান করা হয়েছে। প্রতিটি স্ক্যান করতে সময় লাগে মাত্র এক সেকেন্ড।

●     নির্ভুল থ্রি-ডি মডেল: এই স্ক্যানের মাধ্যমে প্রতিটি খেলোয়াড়ের শরীরের সুনির্দিষ্ট মাপ— যেমন মেসির কাঁধের প্রস্থ বা ভিনিসিয়াস জুনিয়রের পায়ের আঙুলের অবস্থান— ডিজিটাল মডেলে রূপান্তরিত হয়েছে।

●     ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্রডকাস্ট: যখন কোনো অফসাইড বা ফাউলের সিদ্ধান্ত ভিএআর রিভিউ করে, তখন ব্রডকাস্টে সেই ঘটনার একটি নিখুঁত থ্রি-ডি অ্যানিমেশন দেখানো হয়। আগে এগুলো জেনেরিক মডেল হতো, কিন্তু এখন দর্শকরা খেলোয়াড়দের অবিকল থ্রি-ডি অবতার দেখতে পাচ্ছেন, যা সিদ্ধান্তকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলছে।

 

হাই-টেক ক্যামেরা এবং উন্নত অফসাইড প্রযুক্তি

 

মাঠের প্রতিটি মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করতে ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রতিটি স্টেডিয়ামে স্থাপন করা হয়েছে অত্যাধুনিক অপটিক্যাল ট্র্যাকিং ক্যামেরা।

 

●     অসংখ্য ক্যামেরার জাল: প্রতিটি স্টেডিয়ামের ছাদে ১৬টি বিশেষ অপটিক্যাল ট্র্যাকিং ক্যামেরা বসানো হয়েছে। এগুলো বলের পাশাপাশি প্রতিটি খেলোয়াড়ের শরীরের ২৯টি ভিন্ন ভিন্ন ডেটা পয়েন্ট (যেমন- হাঁটু, মাথা, পায়ের পাতা) ট্র্যাক করে।

●     ১৫০ মিলিয়ন ডেটা পয়েন্ট: একটি ৯০ মিনিটের ম্যাচে এই ক্যামেরাগুলো প্রায় ১৫০ মিলিয়ন ট্র্যাকিং ডেটা পয়েন্ট তৈরি করে।

●     সরাসরি সহকারী রেফারির কাছে সংকেত: পূর্বের বিশ্বকাপে অফসাইডের ডেটা আগে ভিএআর রুমে যেত, এরপর তারা রেফারিকে জানাত। এতে সময় নষ্ট হতো। কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপে এই প্রযুক্তি এতই উন্নত যে, স্পষ্ট অফসাইড হওয়ার সাথে সাথে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সরাসরি মাঠে থাকা সহকারী রেফারির (লাইন্সম্যান) ইয়ারপিস বা ঘড়িতে রিয়েল-টাইম অডিও বা ভিজ্যুয়াল সিগন্যাল পাঠিয়ে দিচ্ছে। এতে সিদ্ধান্ত গ্রহণে কোনো বিলম্ব হচ্ছে না।

 

'ফুটবল এআই প্রো'

বড় দলগুলোর নিজস্ব শক্তিশালী ডেটা অ্যানালাইসিস টিম থাকে, কিন্তু ছোট দলগুলোর সেই সামর্থ্য থাকে না। এই বৈষম্য দূর করতে ফিফা এবং লেনোভো যৌথভাবে নিয়ে এসেছে 'ফুটবল এআই প্রো'।

 

এটি একটি জেনারেটিভ এআই নলেজ অ্যাসিস্ট্যান্ট। এর মাধ্যমে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী ৪৮টি দলকেই সমানভাবে ডেটা অ্যানালিটিক্স সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। মাঠের ওই হাই-টেক ক্যামেরা এবং স্মার্ট বল থেকে প্রাপ্ত ডেটাগুলো এই এআই বিশ্লেষণ করে প্রতিটি দলের কোচিং স্টাফদের কাছে ম্যাচের আগে ও পরে রিপোর্ট পাঠাচ্ছে। এর ফলে দলগুলো বিপক্ষের দুর্বলতা খুঁজে বের করতে এবং নিজেদের ট্যাকটিক্স সাজাতে অভাবনীয় সাহায্য পাচ্ছে।

ব্রডকাস্টিং এবং সিনেম্যাটিক অভিজ্ঞতা (এফপিভি ড্রোন)

আগে স্টেডিয়ামের ওপর থেকে শট নেওয়ার জন্য কেবল 'স্পাইডার ক্যাম' (তারের সাহায্যে ঝোলানো ক্যামেরা) ব্যবহার করা হতো। কিন্তু এর মুভমেন্ট বা নড়াচড়া নির্দিষ্ট সীমানার মধ্যে আবদ্ধ থাকে। এবারের বিশ্বকাপে ব্যাপকভাবে এফপিভি (ফাস্ট পারসন ভিউ) ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে।

●       ডায়নামিক অ্যাঙ্গেল: এই ছোট এবং দ্রুতগতির ড্রোনগুলো স্টেডিয়ামের ছাদের নিচ দিয়ে সাঁই করে উড়ে গিয়ে গোল উদযাপনের সময় খেলোয়াড়দের খুব কাছ থেকে ডায়নামিক শট নিতে সক্ষম।

●       প্যানোরামিক ভিউ: ম্যাচ শুরুর আগে উত্তর আমেরিকার বিশাল ও অত্যাধুনিক স্টেডিয়ামগুলোর বাইরের সৌন্দর্য এবং ভেতরের দর্শকদের উন্মাদনা এক ফ্রেমে বন্দি করতে এই ড্রোনগুলো জাদুকরী ভূমিকা পালন করছে। দর্শকদের মনে হচ্ছে যেন তারা পাখির চোখে পুরো স্টেডিয়ামটি দেখছেন।

এআই-চালিত নিরাপত্তা ও ক্রাউড ম্যানেজমেন্ট

৪৮টি দেশের অংশগ্রহণে এবারের বিশ্বকাপে দর্শকের সমাগম আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি। এই বিশাল জনসমুদ্র সামলাতে ড্রোনের বিকল্প নেই।

●       থার্মাল ও নাইট ভিশন: স্টেডিয়ামের বাইরে, ফ্যান জোন এবং পার্কিং এলাকাগুলোতে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাচ্ছে পুলিশের এবং আয়োজকদের নিজস্ব ড্রোন। এগুলোতে থার্মাল ইমেজিং যুক্ত থাকায় রাতের বেলায়ও যেকোনো সন্দেহভাজন গতিবিধি শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে।

●       ট্রাফিক ও ভিড় নিয়ন্ত্রণ: ড্রোনগুলো রিয়েল-টাইমে ভিড়ের ডেটা সেন্ট্রাল এআই-সিস্টেমে পাঠাচ্ছে। কোথায় দর্শকদের চাপ বেশি বা কোনো গেটে জটলা তৈরি হলে ড্রোন থেকে পাওয়া চিত্র দেখে আয়োজকরা দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারছেন।

জরুরি চিকিৎসায় 'মেডিকেল ড্রোন'

এবারের বিশ্বকাপের একটি যুগান্তকারী সংযোজন 'মেডিকেল ড্রোন'। ফ্যান জোন বা স্টেডিয়ামের বাইরে প্রচণ্ড ভিড়ের মধ্যে কোনো দর্শক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে (যেমন- কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট), সেখানে অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছানো সময়সাপেক্ষ ব্যাপার।

●       এই ধরনের পরিস্থিতিতে ফার্স্ট এইড কিট বা পোর্টেবল ডিফিব্রিলেটর (এইডি) বহনকারী ড্রোন জিপিএস ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে চিকিৎসা সরঞ্জাম পৌঁছে দিতে সক্ষম।

 

স্মার্ট স্টেডিয়াম ও রোবট ডগ

বিশ্বকাপের মতো বিশাল আসরে লাখ লাখ দর্শকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় মাঠের বাইরেও প্রযুক্তির চমক রয়েছে।

 

●     এআই নজরদারি: স্টেডিয়ামের ভিড় নিয়ন্ত্রণ, টিকিট জালিয়াতি রোধ এবং সন্দেহভাজন কাউকে শনাক্ত করতে গেটগুলোতে ফেসিয়াল রিকগনিশন ও এআই নজরদারি সিস্টেম ব্যবহার করা হচ্ছে।

●     নিরাপত্তায় রোবট কুকুর: বেশ কিছু স্টেডিয়ামের বাইরে এবং সংবেদনশীল এলাকায় টহল দিচ্ছে চার পেয়ে 'রোবট ডগ'। উন্নত ক্যামেরা এবং সেন্সরযুক্ত এই রোবটগুলো কোনো অস্বাভাবিক পরিস্থিতি বা বিপদের গন্ধ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে সেন্ট্রাল কমান্ড সেন্টারে লাইভ ভিডিও স্ট্রিমিং করতে সক্ষম।

 

সব মিলিয়ে, ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ শুধু ফুটবলীয় দক্ষতারই নয়, বরং প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের এক বিশাল প্রদর্শনী। স্মার্ট বলের নির্ভুল স্পর্শ শনাক্তকরণ, রেফারির বডি ক্যামেরার ফার্স্ট-পারসন ভিউ, হাই-টেক ক্যামেরার মিলিয়ন ডেটা পয়েন্ট এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চোখের পলকে অফসাইড নির্ণয়— এই সবকিছু মিলে খেলাটিকে করে তুলেছে আগের চেয়ে অনেক বেশি গতিশীল, স্বচ্ছ এবং ত্রুটিমুক্ত।

 

খেলাধুলায় প্রযুক্তির এই অবাধ প্রবেশ নিয়ে কারও কারও মনে রোমান্টিসিজম হারানোর ভয় থাকলেও, সত্যি বলতে, সঠিক সিদ্ধান্ত এবং ফেয়ার প্লের স্বার্থে এই পরিবর্তনগুলো যুগেরই দাবি। ফুটবল তার নিজস্ব গতিতে এগিয়ে চলেছে, আর ২০২৬ বিশ্বকাপ প্রমাণ করে দিল যে প্রযুক্তি এবং খেলাধুলা হাত ধরাধরি করে চললে তা দর্শকদের জন্য কতটা রোমাঞ্চকর হতে পারে।

___

লেখক: প্রযুক্তি উদ্যোক্তা, প্রকৌশলী ও লেখক

ইমেইল: [email protected]

 

 

 

 

 

 

শেয়ার করুন: