মোদি-শাহের উদ্ধারে মাঠে নামা বৈশ্বিক কট্টর ডানপন্থীদের চক্র প্রকাশ্যে
ছবিঃ আনন্দবাজার
ফক্স নিউজের রিপোর্টকে সামনে রেখে ভারতে চলমান আন্দোলনকে ‘বিদেশি ষড়যন্ত্র’ বলে প্রচারের চেষ্টার কসুর করছে না বিজেপি। খোদ ভারতের লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকেও ‘রাষ্ট্রদ্রোহী’ আখ্যা দিতে ছাড়ছে না আরএসএস-বিজেপি। এমনকী ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কটাক্ষ করে বলেছেন, ‘আগামী ৩০ বছরেও রাহুল গান্ধী ক্ষমতায় আসতে পারবেন না।’
ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার, কোটি কোটি বৈধ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দিয়ে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া বাতিল এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রে চলমান আন্দোলনে চরম বিপাকে মোদি-শাহ সরকার। আর তাই এবার আরএসএস-বিজেপির পরিত্রাণে তৎপর বৈশ্বিক অতি দক্ষিণপন্থী রাজনৈতিক চক্র ও তাদের মিডিয়া বাহিনী। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শাসক দল রিপাবলিকান পার্টি ঘনিষ্ঠ ফক্স নিউজের একটি প্রতিবেদন থেকে এমনটাই স্পষ্ট।
ফক্স নিউজের দাবি, ভারত থেকে ফ্রান্স—চলমান আন্দোলনে গড়ে উঠেছে কমিউনিস্ট, সমাজতান্ত্রিক ও ইসলামপন্থীদের এমন একটি চক্র, যারা এই রাষ্ট্রগুলিতে অস্থিরতা তৈরি করে সরকারকে বিপাকে ফেলতে উদ্যত। উল্লেখ্য, ফ্রান্সের আন্দোলনের কোথাও কোথাও স্বাধীন ফিলিস্তিনের পতাকা দেখা যাওয়ায় এবং ভারতের আন্দোলনে ছাত্রজনতার অনেকেরই ফিলিস্তিনের পক্ষে অবস্থান থাকায় তাঁদের ‘ইসলামপন্থী’ বা ‘মৌলবাদী’ ট্যাগ দিয়েছে ফক্স নিউজ। আর ফক্স নিউজের এহেন রিপোর্টের পরেই ম্রিয়মাণ নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ-সহ তামাম আরএসএস-বিজেপি নতুন করে বিরোধীদের কোণঠাসা করতে মাঠে নেমে পড়েছে। কিন্তু ফক্স নিউজের চরিত্র ও তাদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততাই বলে দেয় যে আরএসএস-বিজেপিকে বাঁচাতেই তারা এহেন সংবাদ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। আবার ঠিক একই সময়ে নাগপুরে অনুষ্ঠিত আরএসএসের শততম প্রতিষ্ঠাবর্ষের অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে গেরুয়া শিবিরের প্রভাব-প্রতিপত্তি বৃদ্ধির লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ হন মুম্বইয়ে নিযুক্ত ইজরায়েলের কনসাল জেনারেল ইয়ানিভ রেভাখ। পাশাপাশি ভারতের ইজরায়েলি দূতাবাসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত একটি সেমিনারে হাজির হয়ে কট্টর জায়নবাদী তাত্ত্বিক ইশায়া রোজেনম্যান স্পষ্টভাবে বলেন, “ভারতের সঙ্গে ইজরায়েলের শুধুমাত্র কূটনৈতিক সম্পর্ক নয়, বরং দৃঢ় মতাদর্শীয় সম্পর্ক দরকার।” উল্লেখ্য, ভারত বলতে রোজেনম্যান বিজেপি-আরএসএস শাসিত ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রকে বুঝিয়েছেন। আর ‘মতাদর্শীয় সম্পর্ক’ বলতে ইজরায়েল রাষ্ট্রের জায়নবাদ ও ভারতের আরএসএস-বিজেপির ব্রাহ্মণ্যবাদী ও মনুবাদী মতাদর্শের মধ্যেকার সম্পর্ককে বুঝিয়েছেন। উভয় ক্ষেত্রেই ইসলামবিদ্বেষ ও বর্ণবিদ্বেষ প্রবলভাবে বিদ্যমান। আবার এই জায়নবাদী ও ইজরায়েল রাষ্ট্রের পক্ষে এবং স্বাধীন ফিলিস্তিনের দাবির সরাসরি বিপক্ষে অবস্থান ফক্স নিউজের। যারা একইসঙ্গে মোদির প্রশংসায় বারবার পঞ্চমুখ হয়ে উঠেছে।
ভারতের বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, বিজেপিবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির ‘ইন্ডিয়া’ জোট, ককরোচ জনতা পার্টি ও বামপন্থী ছাত্র-যুব সংগঠনগুলি সাফ জানিয়ে দিয়েছে, জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা এবং এসআইআর ও ২০২৩ সালে তৈরি হওয়া নির্বাচন কমিশন-সংক্রান্ত আইন বাতিল যতক্ষণ পর্যন্ত কার্যকর না হচ্ছে, ততক্ষণ অবধি আন্দোলন চলবে। শারদোৎসব থেকে দীপাবলি অবধি আন্দোলন কিছুটা ঢিমেতালে চালানোর কৌশল নেওয়া হলেও উৎসবের পরেই এই আন্দোলন ব্যাপক মাত্রা নিতে চলেছে বলে বিরোধীরা জানিয়েছেন। পাশাপাশি এপস্টিন ফাইলে মোদি সরকারের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ নতুন করে সামনে এসেছে। আর এর জেরে রাতের ঘুম হারাম হয়ে গিয়েছে নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ থেকে শুরু করে গোটা আরএসএস-বিজেপি শিবিরের। এই পরিস্থিতিতে ভারতের কট্টর দক্ষিণপন্থীদের অক্সিজেন জোগাতে মাঠে নেমেছে ফক্স নিউজ। তাদের দাবি, ‘ইন্ডিয়া অ্যালায়েন্স প্যারিস’ নামে একটি সংগঠনই ভারত ও ফ্রান্সের চলমান আন্দোলনের পিছনে রয়েছে। যথারীতি পশ্চিমা গণমাধ্যমের এহেন রিপোর্টকে সামনে রেখে রাজনৈতিক অক্সিজেন পেতে মরিয়া মোদি-শাহ বাহিনী।
ফক্স নিউজের হালহকিকত
কী এই ফক্স নিউজ? সম্পাদকীয় নীতির নামে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক অক্ষে অবস্থান নেওয়া গ্লোবাল মিডিয়াগুলির পর্যালোচনায় এটা যেকোনো বিবেক-বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষই জানেন যে ফক্স নিউজ আসলে উগ্র ডানপন্থী রক্ষণশীল মার্কিন গণমাধ্যম। এমনকী তাদের ডানপন্থা ও রক্ষণশীলতার নজির ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো কট্টর দক্ষিণপন্থীকে ছাড়িয়ে গিয়েছে সাম্প্রতিক অতীতেও। ট্রাম্প ও রিপাবলিকান পার্টির অনুগত হওয়ার পরেও ভারতের উপর আরোপ করা ট্রাম্পের শুল্কনীতির কঠোর সমালোচনা করেছিল এই ফক্স নিউজ। ট্রাম্পের রক্ষণশীল নীতির বিরোধিতা এর পিছনের কারণ নয়। বরং ভারতের বিষয়ে ট্রাম্পের শুল্কনীতির বিরোধিতার কারণ ছিল ভূরাজনৈতিক অক্ষ বিভাজন। ট্রাম্পের শুল্কনীতির কারণে রাশিয়া-চিন-ইরান অক্ষের দিকে পাছে মোদি-শাসিত ভারত চলে যায়, এই ভূরাজনৈতিক সতর্কতা থেকেই ট্রাম্পের শুল্কনীতির বিরোধিতা ছিল ফক্সের। যা আদতে মার্কিন আধিপত্য ও বৈশ্বিক অতি ডানপন্থী চক্র অক্ষুণ্ণ রাখার বৃহত্তর স্বার্থের কথা মাথায় রেখেই। পাশাপাশি মার্কিন রাজনীতিতে রিপাবলিকান শিবিরের প্রবল সমর্থক হিসেবে পরিচিত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পাছে ডেমোক্র্যাটদের দিকে ঝুঁকে না পড়েন, সেই দিকটাও মাথায় ছিল রিপাবলিকান পার্টির অনুগত ফক্স নিউজের। তাদের মুখ্য স্বত্বাধিকারী ও শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা রুপার্ট মারডক ২০২৫ সালে ট্রাম্প ও মোদির বৈঠকের পরে সামাজিক মাধ্যমে লিখেছিলেন, “ভারতের স্বাধীনতার পর থেকে সে দেশ পরিচালনার সেরা নীতি নরেন্দ্র মোদির। তিনি একজন দূরদৃষ্টিসম্পন্ন সেরা নেতা।” তাঁর দাবি, ভারতের প্রযুক্তিগত সাফল্য মোদির নেতৃত্বে অর্জিত হয়েছে। যেখানে বিশ্বের ৩৩টি দেশের মধ্যে বাক্স্বাধীনতার সূচকে মোদি-শাসিত ভারতের অবস্থান ২৪ নম্বরে, সেখানে ফক্স নিউজের কর্মকর্তা গণমাধ্যম ও বিনোদনের ক্ষেত্রে মোদি-শাসিত ভারতে প্রবল অগ্রগতি হয়েছে বলেও দাবি করেছিলেন। এছাড়া এই ফক্স নিউজ বারবার ‘ইজরায়েলের আত্মরক্ষার নিঃশর্ত অধিকার’-এর নামে ফিলিস্তিনে গণহত্যার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। স্বাধীন ফিলিস্তিনের দাবিকে তারা বারবার ‘ইজরায়েলবিরোধী’ তৎপরতা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। নাকচ করেছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার দাবিকে। অন্যদিকে ইরানের ওপর মার্কিন হামলার স্বপক্ষে প্রচার করতে দেখা গিয়েছে ফক্স নিউজকে। ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর পদক্ষেপের পক্ষে সওয়াল চালিয়েছে এই সংবাদমাধ্যম গোষ্ঠী। ফলত বোঝাই যাচ্ছে, আমেরিকার ফক্স নিউজ চরিত্রগতভাবেই অতি দক্ষিণপন্থী এবং নতুন করে মার্কিন দুনিয়ার সাম্রাজ্যবাদী হয়ে ওঠার সাংস্কৃতিক হাতিয়ার। আর এই কট্টর ডানপন্থী অবস্থানের বৈশ্বিক অক্ষ পোক্ত রাখতেই এবার সরাসরি মোদি-শাহের পক্ষে এবং ভারতের চলমান আন্দোলনকে কালিমালিপ্ত করার কার্যক্রমে সক্রিয় হয়ে উঠেছে ফক্স নিউজ।
জায়নবাদী ও আরএসএসের পারস্পরিক গুণভজনা ও সমন্বয়
রাষ্ট্র হিসেবে এখনও ভারত সরকারিভাবে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়নি ঠিকই, কিন্তু রাজনৈতিকভাবে ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রের শাসক শিবির আরএসএস-বিজেপি খুল্লমখুল্লা জায়নবাদীদের পক্ষে নিজেদের অবস্থান ব্যক্ত করে আসছে। আর্যতত্ত্ব, ব্রাহ্মণ্যবাদ, মনুবাদ—যেভাবে দলিত ও মুসলিমবিরোধী, যেভাবে ভারতের নিম্নবর্গের ভূমিসন্তানদের বিরোধী, যেভাবে ব্রাহ্মণ্যবাদীরা বহুজাতিক করপোরেটদের সহযোগিতায় ভারতের জল-জমি-জঙ্গল দখল করে সেটেলার কলোনি বানাতে মরিয়া, ঠিক একইভাবে ইজরায়েল রাষ্ট্র গঠনের পর থেকেই ফিলিস্তিনি ভূমিসন্তানদের ভূমি দখল করেছে জায়নবাদী ঔপনিবেশিক সেটেলাররা। আর তাই জায়নবাদী ও হিন্দুত্ববাদীরা পরস্পরের অভিন্ন হৃদয়বান্ধব হিসেবে ভূরাজনীতিতে অবতীর্ণ হতে চাইছে। যে কারণে ইজরায়েলের জায়নবাদী তাত্ত্বিক ইশায়া রোজেনম্যান উভয় রাজনৈতিক বর্গের ‘মতাদর্শীয় সম্পর্ক’ দৃঢ় করার বিষয়ে প্রবলভাবে সওয়াল চালাচ্ছেন। এবং সেই সওয়াল কেবলমাত্র সেমিনারে বক্তৃতা দেওয়ার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ বিষয়ে ইতিমধ্যে বইও লিখে ফেলেছেন। রোজেনম্যান লিখিত সেই বইটির নাম, ‘হান্ড্রেড ইয়ার্স অফ রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ’ বা ‘রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের শতবর্ষ’। সেই বইটিতে তিনি আরএসএসের কর্মকাণ্ড ও ‘ভারতীয় জাতি’ গঠনে তাদের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। কিন্তু জায়নবাদ ও হিন্দুত্ববাদের তাত্ত্বিক বা মতাদর্শীয় বন্ধুত্বই কেবলমাত্র মাথাব্যথার কারণ নয়, বরং ভারতে আরএসএস-বিজেপি-সহ ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রকাঠামোর বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনকে দমন করার ক্ষেত্রে সরাসরি ইজরায়েল রাষ্ট্র ভারতের মাটিতেও ক্রিয়াশীল। নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে ভারতের সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে গত জুলাই মাসে নয়াদিল্লির যন্তরমন্তরে ছাত্রজনতার অবস্থান বিক্ষোভ ও অনশন কর্মসূচি দমন করার জন্য ফেস রিকগনিশন থেকে শুরু করে যাবতীয় ক্ষেত্রে ভারতের রাষ্ট্রযন্ত্রকে প্রযুক্তিগত সাহায্য দিয়েছে ইজরায়েল। সেই একই সাহায্য বলবৎ রয়েছে জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা ও এসআইআর বাতিলের দাবিতে চলমান আন্দোলনেও। দেখা গিয়েছে, ইজরায়েলের প্রযুক্তিকে অকার্যকর করার জন্য মুখে নানা রং মেখে বিভ্রান্তি তৈরির কৌশলও নিচ্ছেন ভারতের আন্দোলনকারী বহু ছাত্র। আর সামরিক খাতে ভারত রাষ্ট্রের প্রতি ইজরায়েলের সহযোগিতার কথা তো সর্বজনবিদিত।
ভারতের আন্দোলনকারীদের গেরুয়া শিবির কর্তৃক ‘দেশদ্রোহী’ প্রমাণের চেষ্টা ও পাল্টা জবাব
ফক্স নিউজের রিপোর্টকে সামনে রেখে ভারতে চলমান আন্দোলনকে ‘বিদেশি ষড়যন্ত্র’ বলে প্রচারের চেষ্টার কসুর করছে না বিজেপি। খোদ ভারতের লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকেও ‘রাষ্ট্রদ্রোহী’ আখ্যা দিতে ছাড়ছে না আরএসএস-বিজেপি। এমনকী ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কটাক্ষ করে বলেছেন, ‘আগামী ৩০ বছরেও রাহুল গান্ধী ক্ষমতায় আসতে পারবেন না।’ যদিও কংগ্রেস নেতা ও ভারতের সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জয়রাম রমেশের স্পষ্ট বক্তব্য, “নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহের সরকার মিথ্যা প্রচারের মাধ্যমে জনগণের দৃষ্টি ঘোরাতে চাইছে। কিন্তু এসআইআর প্রক্রিয়ার অনিয়ম, কোটি কোটি বৈধ ভোটারের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া এবং ভোটচুরির ঘটনা মনগড়া নয়, বরং এগুলি প্রমাণিত। ১০ কোটির বেশি ভারতীয় নাগরিক ভোটাধিকার হারাতে বসেছেন। এর জন্য দায় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে নিতেই হবে।” জয়রাম রমেশের পাশাপাশি ‘ইন্ডিয়া’ জোটের নেতারা, ককরোচ নেতৃবর্গ এবং বামপন্থী ছাত্র-যুবরা স্পষ্টতই জানিয়েছে, মোদি বাহিনীর বানোয়াট প্রচারকে তারা পাত্তা দিচ্ছেন না। বরং জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা ও এসআইআর বাতিল না হওয়া অবধি আন্দোলন চলবেই।
-- --
লেখক: কবি, প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক, কলকাতা, ভারত।
ইমেইল- [email protected]



